May 7, 2018 A- A A+

তপুর মহল্লার অর্ধশত পরিবার ড্রেনের ময়লা পানির বন্যায় ডুবে আছে

দিনাজপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের এনায়েতপুর মহল্লার অর্ধশত পরিবার ড্রেনের ময়লা পানি আর আবর্জনার মধ্যে ডুবে আছে। নলকুপ গুলো ময়লা পানিতে ডুতে তাকায় বিশূদ্ধ পানির অভাবে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ গুলোর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে।

পয় প্রনালী পরিস্কার, ড্রেনের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার না করায় দীর্ঘ দিন ধ এনায়েতপুর মহল্লার অর্ধশত পরিবার ড্রেনের ময়লা পানির বন্যায় ভাসছে। গতকাল বুধবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিবন্ধ স্কুলের সামনে দিয়ে একটি বিশাল ড্রেন গিয়ে মিলিত হয়েছে গিরিজানাথ ক্যানেলে। কিন্তু দীর্ঘ দিন ড্রেন পরিস্কার না করায় এনায়েতপুর ও ক্ষেত্রীপাড়ার বিশাল এলাকা ড্রেনের পানিতে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। ড্রেনের পানি বাড়ীতে প্রবেশ করছে। এনায়েতপুরের অর্ধশত বাড়ীর আঙ্গীনায় হাটু পানি জমে রয়েছে। কখনো কখনো ড্রেনের পানি ঘরের বারান্দায় উঠে আসে। পরিবার গুলোর রান্না বান্না বন্ধ কওে রাখতে হয়। রান্না করা খাবাওে পড়ছে লাখো লাকো রোগ জীবানু। এলাচাও ময়লা পানির দুর্গন্ধে পানি পান করা বা খাবার খাওয়াও সম্ভব হচ্ছে না। ঘরের বারান্দায় পানি উঠলে রান্না বান্না বন্ধ কওে রাখতে হয়। মহা সংকটে পড়েছে শিশু, বৃদ্ধ, অন্তসত্তা মা ও অসুস্থ মানুষ গুলো। স্কুল পড়–য়া শিশুরা স্কুরের পোষাক পড়ে বাড়ী থেকে বের হতে পারেনা। কোলে কওে বাড়ী থেকে রাস্তায় পার কওে দিতে হয় অভিভাবককে। এই পরিবার গুলোর সাথে কথা বললে তারা জানান, এলাকার কাউন্সিলর রবিকে বিষয়টি জানাতে গেলে তিনি আমাদেও দেখে পালিয়ে যায় এবং মহিলা কাউন্সিররকে জানাতে গেলে তিনিও অটোতে উঠে সটকে পড়েন। অবশেষে পৌরসভায় মেয়রকে জানাতে গেলে তিনি ঢাকায় থাকায় জানাতে পারেননি। কিন্তু একজন কাউন্সিলর তাদেও কথা শুনেছে এবং বলেছে কিছু দিনের মধ্যেই সমস্য দুর করা হবে। শুদু আশ্বাসের উপরেই দায়িত্ব শেষ করেছে। অথচ প্রতিটি ওয়ার্ডে ২ জন কওে লেবার নিয়েঅগ করা হয়েছে পৌরসভা থেকে। এদেও নিয়ন্ত্রন করেন কাউন্সিলররা। এরা কোন দিনই ওই এলাকায় ড্রেন পরিস্কার করতে আসেননি। কিন্তু পৌরসভা থেকে প্রতি মাসে ৩০ দিনের লেবার বিল উত্তোলন করা হয়। এই লেবার বিল নাকি কাউন্সিলররা পকেটস্থ করেন। এনায়েতপুরের এই অর্ধশত পরিবার জরুরী ভিত্তিতে মেয়র, জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং ময়লা পানিতে ডুবে থাকা পরিবার গুলোকে রক্সা করার আহবান জানান। একই দাবী জানিয়েছেন বুদ্ধ প্রতিবন্ধী স্কুরের শিক্ষকরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ আমরা কি পৌরসভার বাইরে?

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail